Dhaka ০৪:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে ছিল না এনসিপি, গাড়িবহরে ৪ নেতা

Reporter Name
  • Update Time : ০১:০১:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৪ Time View

রাজনীতি ডেস্ক: ১১-দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে সম্প্রতি খুলনার অভিমুখে যে লংমার্চের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়, তার উদ্বোধনী সমাবেশে অনুপস্থিত ছিল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপি। দলটির শীর্ষস্থানীয় বা সাধারণ নেতাকর্মীরা এই কর্মসূচির শুরুর অংশে অংশ নেননি, যা রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। উদ্বোধনী পর্বের এই অনুপস্থিতির কারণে জোটে কোনো ধরনের অভ্যন্তরীণ দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়।

তবে উদ্বোধনী সমাবেশে দলীয় উপস্থিতি না থাকলেও পরবর্তীতে লংমার্চের মূল গাড়িবহরে এনসিপির চারজন শীর্ষস্থানীয় নেতা যুক্ত হন। জোটের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি এবং সংহতি বজায় রাখার অংশ হিসেবেই তারা এই গাড়িবহরে অংশ নেন বলে জানা গেছে। দলটির নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এই চার নেতার উপস্থিতি কিছুটা হলেও জোটের মধ্যকার ঐক্য অক্ষুণ্ণ থাকার বার্তা দিয়েছে।

এদিকে লংমার্চের গাড়িবহরে দলের চার নেতার এই অংশগ্রহণকে স্রেফ একটি প্রতীকী পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে দলটির ঘনিষ্ট সূত্র। তাদের ভাষ্যমতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জোটের সার্বিক কার্যক্রমের প্রতি নৈতিক সমর্থন ও সংহতি প্রকাশের জন্যই এই সীমিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছিল। একে বড় কোনো সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন হিসেবে না দেখার অনুরোধ জানিয়েছে দলটি।

উল্লেখ্য, ১১-দলীয় ঐক্যের এই লংমার্চ কর্মসূচিটি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত এই জোট সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দাবি নিয়ে রাজপথে সক্রিয় রয়েছে। তবে জোটে থাকা দলগুলোর মধ্যে এ ধরনের খণ্ডিত অংশগ্রহণ বা প্রতীকী উপস্থিতি ভবিষ্যতে তাদের রাজনৈতিক ঐক্যের ওপর কী প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে ছিল না এনসিপি, গাড়িবহরে ৪ নেতা

Update Time : ০১:০১:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: ১১-দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে সম্প্রতি খুলনার অভিমুখে যে লংমার্চের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়, তার উদ্বোধনী সমাবেশে অনুপস্থিত ছিল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপি। দলটির শীর্ষস্থানীয় বা সাধারণ নেতাকর্মীরা এই কর্মসূচির শুরুর অংশে অংশ নেননি, যা রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। উদ্বোধনী পর্বের এই অনুপস্থিতির কারণে জোটে কোনো ধরনের অভ্যন্তরীণ দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়।

তবে উদ্বোধনী সমাবেশে দলীয় উপস্থিতি না থাকলেও পরবর্তীতে লংমার্চের মূল গাড়িবহরে এনসিপির চারজন শীর্ষস্থানীয় নেতা যুক্ত হন। জোটের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি এবং সংহতি বজায় রাখার অংশ হিসেবেই তারা এই গাড়িবহরে অংশ নেন বলে জানা গেছে। দলটির নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এই চার নেতার উপস্থিতি কিছুটা হলেও জোটের মধ্যকার ঐক্য অক্ষুণ্ণ থাকার বার্তা দিয়েছে।

এদিকে লংমার্চের গাড়িবহরে দলের চার নেতার এই অংশগ্রহণকে স্রেফ একটি প্রতীকী পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে দলটির ঘনিষ্ট সূত্র। তাদের ভাষ্যমতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জোটের সার্বিক কার্যক্রমের প্রতি নৈতিক সমর্থন ও সংহতি প্রকাশের জন্যই এই সীমিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছিল। একে বড় কোনো সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন হিসেবে না দেখার অনুরোধ জানিয়েছে দলটি।

উল্লেখ্য, ১১-দলীয় ঐক্যের এই লংমার্চ কর্মসূচিটি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত এই জোট সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দাবি নিয়ে রাজপথে সক্রিয় রয়েছে। তবে জোটে থাকা দলগুলোর মধ্যে এ ধরনের খণ্ডিত অংশগ্রহণ বা প্রতীকী উপস্থিতি ভবিষ্যতে তাদের রাজনৈতিক ঐক্যের ওপর কী প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।