Dhaka ১২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যেখানে সারা বছর ৬০০ টাকায় বাটার জুতা কেনা যায়, বছরে বিক্রি ১ লাখ জোড়া

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:০০:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৫ Time View

অর্থনীতি ডেস্ক: রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত বাটার একটি বিশেষ বিক্রয়কেন্দ্রে সারা বছর জুতা কেনাবেচায় উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যায়। বিএসইসি ভবন এবং মেট্রোস্টেশনের কাছাকাছি এই শোরুমটিতে সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামের জুতা পাওয়া যায়। মূলত সীমিত আয়ের মানুষ এবং শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে এখানে বড় অঙ্কের মূল্যছাড়ে জুতা বিক্রি করা হয়।

এই বিক্রয়কেন্দ্রে বাটার বিভিন্ন ধরনের জুতা, স্যান্ডেল, কেডস ও স্পঞ্জ জুতো প্রকৃত মূল্যের তুলনায় প্রায় ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কম দামে বিক্রি হয়। এখানকার অধিকাংশ জুতা মূলত ২৫০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। এ ছাড়া স্কুলপড়ুয়া শিশুদের জুতা এবং কারখানার কর্মীদের ব্যবহারের নিরাপত্তা জুতোও অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে এখানে বিক্রি করা হয়ে থাকে।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কারখানা থেকে উৎপাদিত জুতাগুলোর মান যাচাই বা কিউসি প্রক্রিয়ায় সামান্য ত্রুটি ধরা পড়লে সেগুলোর মধ্য থেকে তুলনামূলক ভালো পণ্যগুলো এই শোরুমে পাঠানো হয়। সাধারণ চোখে এসব পণ্যের ত্রুটি সহজে ধরা পড়ে না এবং এগুলো যথেষ্ট টেকসইও হয়। তবে বড় ধরনের ত্রুটিযুক্ত কোনো পণ্য এখানে বিক্রির জন্য রাখা হয় না।

অল্প দামে ব্র্যান্ডের জুতা পাওয়ার সুবাদে বিভিন্ন এলাকা থেকে চাকরিপ্রত্যাশী তরুণ, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীরা নিয়মিত এই শোরুমে আসেন। বছরজুড়ে এই একক বিক্রয়কেন্দ্রটি থেকে প্রায় ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ জোড়া জুতা বিক্রি হয়ে থাকে। সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকা এই দোকানটিতে সপ্তাহের নির্দিষ্ট এক দিন মঙ্গলবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

যেখানে সারা বছর ৬০০ টাকায় বাটার জুতা কেনা যায়, বছরে বিক্রি ১ লাখ জোড়া

Update Time : ০৯:০০:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত বাটার একটি বিশেষ বিক্রয়কেন্দ্রে সারা বছর জুতা কেনাবেচায় উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যায়। বিএসইসি ভবন এবং মেট্রোস্টেশনের কাছাকাছি এই শোরুমটিতে সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামের জুতা পাওয়া যায়। মূলত সীমিত আয়ের মানুষ এবং শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে এখানে বড় অঙ্কের মূল্যছাড়ে জুতা বিক্রি করা হয়।

এই বিক্রয়কেন্দ্রে বাটার বিভিন্ন ধরনের জুতা, স্যান্ডেল, কেডস ও স্পঞ্জ জুতো প্রকৃত মূল্যের তুলনায় প্রায় ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কম দামে বিক্রি হয়। এখানকার অধিকাংশ জুতা মূলত ২৫০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। এ ছাড়া স্কুলপড়ুয়া শিশুদের জুতা এবং কারখানার কর্মীদের ব্যবহারের নিরাপত্তা জুতোও অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে এখানে বিক্রি করা হয়ে থাকে।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কারখানা থেকে উৎপাদিত জুতাগুলোর মান যাচাই বা কিউসি প্রক্রিয়ায় সামান্য ত্রুটি ধরা পড়লে সেগুলোর মধ্য থেকে তুলনামূলক ভালো পণ্যগুলো এই শোরুমে পাঠানো হয়। সাধারণ চোখে এসব পণ্যের ত্রুটি সহজে ধরা পড়ে না এবং এগুলো যথেষ্ট টেকসইও হয়। তবে বড় ধরনের ত্রুটিযুক্ত কোনো পণ্য এখানে বিক্রির জন্য রাখা হয় না।

অল্প দামে ব্র্যান্ডের জুতা পাওয়ার সুবাদে বিভিন্ন এলাকা থেকে চাকরিপ্রত্যাশী তরুণ, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীরা নিয়মিত এই শোরুমে আসেন। বছরজুড়ে এই একক বিক্রয়কেন্দ্রটি থেকে প্রায় ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ জোড়া জুতা বিক্রি হয়ে থাকে। সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকা এই দোকানটিতে সপ্তাহের নির্দিষ্ট এক দিন মঙ্গলবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকে।