ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের শেষ ভালোর সুখস্মৃতি
- Update Time : ০৭:৪৬:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
- / ৪ Time View
খেলা ডেস্ক: ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম তিন ম্যাচ হেরে আগেই শিরোপা হাতছাড়া করেছিল নিউজিল্যান্ড। তবে সিরিজের শেষ অংশে এসে দুর্দান্ত কামব্যাক করেছে কিউইরা। শেষ দুটি ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে তারা ভারত সফরের একটি সুখকর ও সন্তোষজনক সমাপ্তি টেনেছে। পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ভারতকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে সফরকারী দল। দুর্দান্ত ব্যাটিং ও বোলিং প্রদর্শনী উপহার দিয়ে শেষ পর্যন্ত মাঠ ছেড়েছে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা।
ভারতের দেওয়া ১৯২ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। ইনিংসের একদম শুরুতে মাত্র ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার ফিন অ্যালেন। তবে শুরুর সেই চাপ বেশ ভালোভাবে সামলে নেন টিম শেইফার্ট ও ড্যারেল মিচেল। দ্বিতীয় উইকেটে তাদের জুটিতে আসে মূল্যবান ৭৩ রান, যা দলের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। এরপর শেইফার্ট গ্লেন ফিলিপসকে সঙ্গে নিয়ে আরও ৮৬ রানের এক অসাধারণ জুটি গড়েন।
ম্যাচে সেঞ্চুরির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের ওপেনার টিম শেইফার্ট। মাত্র সাত রান দূরে থাকতে তিনি আউট হন, তবে তার আগে ৫০ বলে ৯৩ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। এছাড়া গ্লেন ফিলিপস ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন। এই দুই ব্যাটারের অসাধারণ পারফরম্যান্সের সুবাদে ১৮ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল ভারত। দলীয় ১৯ রান তুলতেই সাজঘরে ফিরে যান দুই ওপেনার সাঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। এরপর শ্রেয়াস আইয়ার ও ঈশান কিষান দলের হাল ধরেন এবং পাল্টা আক্রমণ চালান। ঈশান ৩২ বলে ৬১ এবং আইয়ার মাত্র ২৩ বলে ৫০ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেন। শেষ পর্যন্ত নমন ধীর ও নিতিশ কুমার রেড্ডির ছোট কিন্তু কার্যকরী অবদানে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৯১ রানের পুঁজি পায় ভারত।
ভারতের বিশাল সংগ্রহ আটকে রাখতে নিউজিল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন অ্যাডাম মিলনে। তিনি মাত্র ১৯ রান খরচ করে শিকার করেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৪টি উইকেট। এছাড়া নাথান স্মিথ ও ব্লাইর টিকনার প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট দখল করেন। বোলিংয়ে এমন নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সের ফলেই ভারত বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয় এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হেরে মাঠ ছাড়ে।























