Dhaka ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের সঙ্গে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী পাকিস্তান

Reporter Name
  • Update Time : ১০:০১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৪ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের সঙ্গে চিকিৎসা পর্যটন ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান। দক্ষিণ এশিয়ার এই দুটি বন্ধুভাবাপন্ন দেশের মধ্যে পর্যটন অংশীদারত্ব জোরদার করার পাশাপাশি জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী পর্যটন মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার জানান যে প্রচলিত পর্যটনের বাইরে চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রিক ভ্রমণ দুই দেশের জন্যই একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হতে পারে।

রাজধানীর ওই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে পাকিস্তানের চিকিৎসা খাতের প্রতিনিধিত্বকারী দুটি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে। এর মাধ্যমে বিশেষায়িত এই পর্যটন খাতে নতুন সুযোগ অনুসন্ধানে পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়। পাকিস্তানি কূটনীতিক আশা প্রকাশ করেন যে এই ধরনের অংশগ্রহণের ফলে দুই দেশের ব্যবসায়িক মহলের মধ্যে যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে ভবিষ্যতে চিকিৎসা পর্যটনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে তিনি মনে করেন।

ঐতিহ্যগত অবকাশযাপনকেন্দ্রিক ভ্রমণের সীমানা পেরিয়ে বিশেষায়িত পর্যটনসেবার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বই সবসময় জনগণের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং একে অপরের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে জানার মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও গভীর করা সম্ভব। এছাড়া দুই দেশেই তুলনামূলক সাশ্রয়ী ব্যয়ে বৈচিত্র্যময় পর্যটন আকর্ষণগুলো উপভোগ করা যায়, যা দ্বিপক্ষীয় পর্যটন বিনিময়ের সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

জনগণের মধ্যকার যোগাযোগভিত্তিক কূটনীতির মাধ্যম হিসেবে পর্যটন খাতকে কাজে লাগানোর ওপর বিশেষ জোর দেন পাকিস্তানি হাইকমিশনার। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক এই মেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ায় তিনি আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই বর্ণিল প্রদর্শনী দুই দেশের ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক জোরদার এবং সহযোগিতার পরিধি বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদী। উল্লেখ্য, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবের উদ্বোধন করা এই মেলায় বাংলাদেশসহ ষোলটি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বাংলাদেশের সঙ্গে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী পাকিস্তান

Update Time : ১০:০১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের সঙ্গে চিকিৎসা পর্যটন ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান। দক্ষিণ এশিয়ার এই দুটি বন্ধুভাবাপন্ন দেশের মধ্যে পর্যটন অংশীদারত্ব জোরদার করার পাশাপাশি জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী পর্যটন মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার জানান যে প্রচলিত পর্যটনের বাইরে চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রিক ভ্রমণ দুই দেশের জন্যই একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হতে পারে।

রাজধানীর ওই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে পাকিস্তানের চিকিৎসা খাতের প্রতিনিধিত্বকারী দুটি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে। এর মাধ্যমে বিশেষায়িত এই পর্যটন খাতে নতুন সুযোগ অনুসন্ধানে পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়। পাকিস্তানি কূটনীতিক আশা প্রকাশ করেন যে এই ধরনের অংশগ্রহণের ফলে দুই দেশের ব্যবসায়িক মহলের মধ্যে যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে ভবিষ্যতে চিকিৎসা পর্যটনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে তিনি মনে করেন।

ঐতিহ্যগত অবকাশযাপনকেন্দ্রিক ভ্রমণের সীমানা পেরিয়ে বিশেষায়িত পর্যটনসেবার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বই সবসময় জনগণের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং একে অপরের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে জানার মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও গভীর করা সম্ভব। এছাড়া দুই দেশেই তুলনামূলক সাশ্রয়ী ব্যয়ে বৈচিত্র্যময় পর্যটন আকর্ষণগুলো উপভোগ করা যায়, যা দ্বিপক্ষীয় পর্যটন বিনিময়ের সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

জনগণের মধ্যকার যোগাযোগভিত্তিক কূটনীতির মাধ্যম হিসেবে পর্যটন খাতকে কাজে লাগানোর ওপর বিশেষ জোর দেন পাকিস্তানি হাইকমিশনার। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক এই মেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ায় তিনি আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই বর্ণিল প্রদর্শনী দুই দেশের ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক জোরদার এবং সহযোগিতার পরিধি বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদী। উল্লেখ্য, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবের উদ্বোধন করা এই মেলায় বাংলাদেশসহ ষোলটি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।