Dhaka ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাক্তার তো দিতেই পারেন না, পোস্ট ভূরি ভূরি খালি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : ০১:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৫ Time View

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বা বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যাডার পদে চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হলেও তাঁদের যথাযথ কর্মসংস্থান ও ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা থাকা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী। তিনি মনে করেন, শুধুমাত্র চিকিৎসক নিয়োগ দিলেই সরকারের স্বাস্থ্য খাতের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বা সুফল পাওয়া সম্ভব নয়, বরং তাঁদের কর্মক্ষেত্রে সঠিক উপায়ে কাজে লাগানোর জন্য একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা থাকা অত্যন্ত জরুরি।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের পদ শূন্য পড়ে থাকার হার বেশ উদ্বেগজনক। চিকিৎসকদের পদগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় প্রান্তিক ও সাধারণ মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। অথচ একদিকে যেমন চিকিৎসকের অনেক পদ ফাঁকা রয়েছে, অন্যদিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবে অনেক সময় চিকিৎসকদের সঠিক কর্মস্থলে পদায়ন করা সম্ভব হয় না।

স্বাস্থ্য খাতের এই ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা ও অব্যবস্থাপনা দূর করতে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও কর্তৃপক্ষের আরও বেশি মনযোগী হওয়া উচিত বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। চিকিৎসকদের মেধা ও দক্ষতাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশের গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের চিকিৎসাসেবার মানের ব্যবধান অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসক সংকট সমাধানের পাশাপাশি চিকিৎসক পদায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা এখন সময়ের দাবি। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো যদি এই বিষয়গুলোর প্রতি দ্রুত নজর দেয়, তবে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার কাজ আরও সহজতর ও গতিশীল হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ডাক্তার তো দিতেই পারেন না, পোস্ট ভূরি ভূরি খালি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

Update Time : ০১:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বা বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যাডার পদে চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হলেও তাঁদের যথাযথ কর্মসংস্থান ও ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা থাকা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী। তিনি মনে করেন, শুধুমাত্র চিকিৎসক নিয়োগ দিলেই সরকারের স্বাস্থ্য খাতের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বা সুফল পাওয়া সম্ভব নয়, বরং তাঁদের কর্মক্ষেত্রে সঠিক উপায়ে কাজে লাগানোর জন্য একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা থাকা অত্যন্ত জরুরি।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের পদ শূন্য পড়ে থাকার হার বেশ উদ্বেগজনক। চিকিৎসকদের পদগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় প্রান্তিক ও সাধারণ মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। অথচ একদিকে যেমন চিকিৎসকের অনেক পদ ফাঁকা রয়েছে, অন্যদিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবে অনেক সময় চিকিৎসকদের সঠিক কর্মস্থলে পদায়ন করা সম্ভব হয় না।

স্বাস্থ্য খাতের এই ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা ও অব্যবস্থাপনা দূর করতে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও কর্তৃপক্ষের আরও বেশি মনযোগী হওয়া উচিত বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। চিকিৎসকদের মেধা ও দক্ষতাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশের গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের চিকিৎসাসেবার মানের ব্যবধান অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসক সংকট সমাধানের পাশাপাশি চিকিৎসক পদায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা এখন সময়ের দাবি। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো যদি এই বিষয়গুলোর প্রতি দ্রুত নজর দেয়, তবে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার কাজ আরও সহজতর ও গতিশীল হবে।