Dhaka ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান আইডি’ চালুর উদ্যোগ নেবে আইসিটি বিভাগ

Reporter Name
  • Update Time : ১১:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৫ Time View

প্রযুক্তি ডেস্ক: দেশের নাগরিকদের সব ধরনের সেবা সহজ ও নিরাপদ করতে একটি সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী খুব শীঘ্রই দেশজুড়ে ওয়ান সিটিজেন ওয়ান আইডি ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে নাগরিকদের বিভিন্ন সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করে তোলার চেষ্টা চলছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব জানিয়েছেন যে বর্তমানে জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন সনদ এবং কর ফাইলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আলাদা আলাদা ডেটাবেজে সংরক্ষিত রয়েছে। এই বিচ্ছিন্ন ও ছড়ানো ডেটাবেজগুলোকে একত্রিত করে একটি একক কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসার ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

এই সমন্বিত ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হলে নাগরিকদের তথ্য ব্যবস্থাপনায় যেমন গতি আসবে, তেমনি নানা ধরনের জটিলতাও দূর হবে। একই প্ল্যাটফর্মের অধীনে সব তথ্য থাকায় নাগরিকদের বারবার বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে তথ্য যাচাইয়ের ঝামেলা পোহাতে হবে না।

সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের মতে এই উদ্যোগের ফলে সরকারি সেবাসমূহের মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং তথ্য জালিয়াতির সুযোগ বহুলাংশে কমে আসবে। সামগ্রিকভাবে দেশের ডিজিটাল রূপান্তর প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে এই একক পরিচিতি নম্বর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান আইডি’ চালুর উদ্যোগ নেবে আইসিটি বিভাগ

Update Time : ১১:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

প্রযুক্তি ডেস্ক: দেশের নাগরিকদের সব ধরনের সেবা সহজ ও নিরাপদ করতে একটি সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী খুব শীঘ্রই দেশজুড়ে ওয়ান সিটিজেন ওয়ান আইডি ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে নাগরিকদের বিভিন্ন সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করে তোলার চেষ্টা চলছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব জানিয়েছেন যে বর্তমানে জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন সনদ এবং কর ফাইলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আলাদা আলাদা ডেটাবেজে সংরক্ষিত রয়েছে। এই বিচ্ছিন্ন ও ছড়ানো ডেটাবেজগুলোকে একত্রিত করে একটি একক কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসার ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

এই সমন্বিত ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হলে নাগরিকদের তথ্য ব্যবস্থাপনায় যেমন গতি আসবে, তেমনি নানা ধরনের জটিলতাও দূর হবে। একই প্ল্যাটফর্মের অধীনে সব তথ্য থাকায় নাগরিকদের বারবার বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে তথ্য যাচাইয়ের ঝামেলা পোহাতে হবে না।

সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের মতে এই উদ্যোগের ফলে সরকারি সেবাসমূহের মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং তথ্য জালিয়াতির সুযোগ বহুলাংশে কমে আসবে। সামগ্রিকভাবে দেশের ডিজিটাল রূপান্তর প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে এই একক পরিচিতি নম্বর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।