Dhaka ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এখনো এক টাকা জরিমানা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, জমা দিতে যেতে হয় ব্যাংকে

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৩০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৪ Time View

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের অন্যতম শীর্ষ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লাইব্রেরি থেকে ধার নেওয়া বই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফেরত দিতে ব্যর্থ হলে মাত্র এক টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়। এই অদ্ভুত নিয়মটি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং শিক্ষার্থীরা এখনো এই নিয়ম মেনে চলছেন। তবে সময়ের পরিবর্তনে অন্যান্য সবকিছু আধুনিকায়ন হলেও জরিমানা আদায় প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন আসেনি।

সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো এই সামান্য এক টাকা জরিমানা পরিশোধ করার জন্য শিক্ষার্থীদের সরাসরি ব্যাংকে যেতে হয়। লাইব্রেরি থেকে একটি চালান ফরম সংগ্রহ করে ব্যাংকের নির্দিষ্ট শাখায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে এই এক টাকা জমা দিতে হয়। ফলে এই সামান্য অর্থ পরিশোধ করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মূল্যবান সময় নষ্ট হয় এবং চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ প্রশাসনিক কার্যক্রম ডিজিটাল হলেও লাইব্রেরির জরিমানা পরিশোধের ক্ষেত্রে এখনো সেই প্রাচীন ও জটিল পদ্ধতি বহাল রয়েছে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে একটি বইয়ের এক টাকা জরিমানা জমা দেওয়ার জন্য ব্যাংকে ছোটাছুটি করাকে অনেকেই হাস্যকর ও অযৌক্তিক বলে মনে করছেন। এতে ব্যাংকের কর্মী থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী সবারই সময় ও শ্রম অপচয় হয়।

এই পুরোনো ও হয়রানিমূলক নিয়ম নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মনে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে এইকেলে নিয়ম বাতিল করে ডিজিটাল মাধ্যমে অথবা সরাসরি লাইব্রেরিতেই জরিমানা পরিশোধের ব্যবস্থা চালুর জোরালো দাবি জানিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা আশা করছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত একটি সহজ ও আধুনিক সমাধান বের করবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

এখনো এক টাকা জরিমানা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, জমা দিতে যেতে হয় ব্যাংকে

Update Time : ০৬:৩০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের অন্যতম শীর্ষ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লাইব্রেরি থেকে ধার নেওয়া বই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফেরত দিতে ব্যর্থ হলে মাত্র এক টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়। এই অদ্ভুত নিয়মটি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং শিক্ষার্থীরা এখনো এই নিয়ম মেনে চলছেন। তবে সময়ের পরিবর্তনে অন্যান্য সবকিছু আধুনিকায়ন হলেও জরিমানা আদায় প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন আসেনি।

সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো এই সামান্য এক টাকা জরিমানা পরিশোধ করার জন্য শিক্ষার্থীদের সরাসরি ব্যাংকে যেতে হয়। লাইব্রেরি থেকে একটি চালান ফরম সংগ্রহ করে ব্যাংকের নির্দিষ্ট শাখায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে এই এক টাকা জমা দিতে হয়। ফলে এই সামান্য অর্থ পরিশোধ করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মূল্যবান সময় নষ্ট হয় এবং চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ প্রশাসনিক কার্যক্রম ডিজিটাল হলেও লাইব্রেরির জরিমানা পরিশোধের ক্ষেত্রে এখনো সেই প্রাচীন ও জটিল পদ্ধতি বহাল রয়েছে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে একটি বইয়ের এক টাকা জরিমানা জমা দেওয়ার জন্য ব্যাংকে ছোটাছুটি করাকে অনেকেই হাস্যকর ও অযৌক্তিক বলে মনে করছেন। এতে ব্যাংকের কর্মী থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী সবারই সময় ও শ্রম অপচয় হয়।

এই পুরোনো ও হয়রানিমূলক নিয়ম নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মনে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে এইকেলে নিয়ম বাতিল করে ডিজিটাল মাধ্যমে অথবা সরাসরি লাইব্রেরিতেই জরিমানা পরিশোধের ব্যবস্থা চালুর জোরালো দাবি জানিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা আশা করছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত একটি সহজ ও আধুনিক সমাধান বের করবে।