Dhaka ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পিঠা উৎসব

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ
  • Update Time : ০৮:২৭:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৩৫ Time View

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি::চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কালেক্টর গ্রিন ভিউ উচ্চ বিদ্যালয়-এ বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে পিঠা উৎসব-২০২৬। ১৬ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকাল

১১টায় বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। “বাংলার পিঠা বাংলা গান, উৎসবের রঙে রঙিন হোক সবার প্রাণ” — এই স্লোগানকে সামনে রেখে বসন্তের আমেজে মুখরিত হয়ে ওঠে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী নানা রকম পিঠা দিয়ে সাজানো হয় ১২ স্টল। বিভিন্ন নামে স্টলগুলো নামকরণ করা হয়েছে-বসন্ত বিলাস,বঙালিয়ানা,পিঠা পার্বণ,পিঠা পল্লী, ঐতিহ্যের পিঠা,রসনা বিলাস, পিঠার আসর,তিতাস নদীর পাড়ে,জুনিয়র পিঠা হাউস,পিঠা ঘর,সপ্তবর্ণা ও পিঠার হাড়ি আমার বাড়ি।

শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ স্টলে ভাপা পিঠা, পাটিসাপটা, চিতই, দুধপুলি, গোলাপ পিঠা,কদম পিঠা,জামাই পিঠা,টিরামিসু পিঠা,কফির পুডিং,নবাবি কাপ সেমাই,চিরুনি পিঠা,কুল চিকেন পিঠা এ পাকান পিঠাসহ বিভিন্ন রকমের দেশীয় পিঠা প্রদর্শন ও পরিবেশন করে। উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রুমানা আফরোজ। এ সময় তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মের মাঝে গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করে এবং সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালেক্টর গ্রিন ভিউ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম। সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন সহকারী শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান। উৎসবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পিঠা উৎসব যেন একদিনের জন্য ফিরিয়ে এনেছিল গ্রামীণ বাংলার চিরচেনা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির আবহ।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

পিঠা উৎসব

Update Time : ০৮:২৭:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি::চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কালেক্টর গ্রিন ভিউ উচ্চ বিদ্যালয়-এ বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে পিঠা উৎসব-২০২৬। ১৬ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকাল

১১টায় বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। “বাংলার পিঠা বাংলা গান, উৎসবের রঙে রঙিন হোক সবার প্রাণ” — এই স্লোগানকে সামনে রেখে বসন্তের আমেজে মুখরিত হয়ে ওঠে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী নানা রকম পিঠা দিয়ে সাজানো হয় ১২ স্টল। বিভিন্ন নামে স্টলগুলো নামকরণ করা হয়েছে-বসন্ত বিলাস,বঙালিয়ানা,পিঠা পার্বণ,পিঠা পল্লী, ঐতিহ্যের পিঠা,রসনা বিলাস, পিঠার আসর,তিতাস নদীর পাড়ে,জুনিয়র পিঠা হাউস,পিঠা ঘর,সপ্তবর্ণা ও পিঠার হাড়ি আমার বাড়ি।

শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ স্টলে ভাপা পিঠা, পাটিসাপটা, চিতই, দুধপুলি, গোলাপ পিঠা,কদম পিঠা,জামাই পিঠা,টিরামিসু পিঠা,কফির পুডিং,নবাবি কাপ সেমাই,চিরুনি পিঠা,কুল চিকেন পিঠা এ পাকান পিঠাসহ বিভিন্ন রকমের দেশীয় পিঠা প্রদর্শন ও পরিবেশন করে। উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রুমানা আফরোজ। এ সময় তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মের মাঝে গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করে এবং সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালেক্টর গ্রিন ভিউ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম। সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন সহকারী শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান। উৎসবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পিঠা উৎসব যেন একদিনের জন্য ফিরিয়ে এনেছিল গ্রামীণ বাংলার চিরচেনা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির আবহ।