নওগাঁ ২ আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় এগিয়ে জামায়াত
- Update Time : ০৪:০৪:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
- / ২৯৪ Time View
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি::আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচারণায় জমে উঠেছে নওগাঁ ২ আসন। ভোটারদের মন জয় করতে ব্যস্ত বিএনপি ও জামায়াতের ইসলামী’র নেতাকর্মীরা।
মাঠ পর্যায়ে জরিপে দেখা যায়, ত্রিয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি’র থেকে জামায়াত অনেকটাই এগিয়ে। স্থানীয় সুধিসমাজ ও সাধারণ ভোটাররা বলছেন, এই আসটি বিএনপি’র ঘাঁটি নামে পরিচিত ছিলো। আমরা ভেবেছিলাম এই আসনটি তে এবার আমরা বিএনপি’র পরিবর্তন দেখবো। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেলো অন্যকিছু। বর্তমান মাঠ জরিপে যা দেখা যাচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০% ভোটার জামায়াতে দিকে আকৃষ্ট হচ্ছে। যার কারণ হিসাবে দেখা যাচ্ছে বিএনপি’র প্রার্থীতা বাছাইয়ে ভূল স্বিদ্ধান্ত নেওয়া।
তারা আরো জানান, আমরা অতীতে দেখেছি বিএনপি’র সাবেক এমপি সামসুজ্জোহা খান যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন তিনি কি কি করছেন। আমরা দেখেছি অতীতে তিনি মানবপাচার, নিয়োগ বানিজ্য, টেন্ডার বানিজ্য, মামলা বানিজ্য, চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে এমন কোন অপরাধ নেই যা অতীতের এমপি থাকা অবস্থায় করেনি।। আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় আমার পর তিনি রাজপথে আন্দোলন বন্ধ করে পরিবার নিয়ে ঢাকায় ছিলেন দীর্ঘ্য ১৭ বছর। আওয়ামী সরকারের পতনের পর সামসুজ্জোহা খান ও স্ত্রী সামিনা পারভিন পলি’র আত্মপ্রকাশ হয়েছে চাঁদাবাজি, জমি দখল, পুকুর দখল ও আওয়ামীলীগের নেতাদের শেল্ডার দেওয়ার মাধ্যমে।
বর্তমান বিএনপি’র তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে জেলা পর্যায়ে সাংগঠনিক দূর্বলতার সুযোগে জামায়াত স্থানীয়ভাবে বেশ শক্ত অবস্থান তৈরী করছে। আসন্ন নির্বাচনে যার সুফল ঘরে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী’র প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনের লড়াইয়ে টিকে থাকতে টিকে থাকতে যে পরিমাণ দক্ষতা ও সক্ষমতা প্রয়োজন, তা যথাযথ ভাবে দেখাতে না পারলে আসন হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বিএনপি’র তৃণমূলের কর্মীরা। ইতিমধ্যে কেন্দ্র ঘোষিত প্রাথমিক মনোনয়নে শামসুদ্দোহা খানের নাম আশায় জামায়াত শিবির বেশ উজ্জীবিত।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বিএনপি কে ঘায়েল করতে নিজেদের শক্তিশালী প্রচারণার কৌশল কাজে লাগাচ্ছে জামায়াত। তারা বিএনপি’র প্রার্থীও নানান দূর্বলতা এলাকার মানুষের কাছে তুলে ধরছে। যার ফলে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, নারী ও তরুণরা এসমস্ত প্রার্থী থেকে মূখ ফিরিয়ে নিয়েছে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। আর এর সাথে বিরোধী শিবিরের প্রচারণা যোগ হলে তো, পাল্লা অন্য দিকে হেলবেই বলে জানাচ্ছেন, তৃণমূলে দীর্ঘ্যদিন ধরে নির্যাতিত ও নিপীরিত অবস্থায় থাকা বিএনপি’র কর্মীরা।
অপরদিকে সচেতন মহল, ত্যাগী, কারা নির্যাতিত ও সাধারণ ভোটারা বলেন, গত ১৭ বছর জোহা সাহেব যখন আওয়ামীলীগের সেলটারে ঢাকাতে অবস্থান করছিল তখন দলের হাল ধরেছিল মেধাবী তরুণ রাজনীতিবীদ, সৎ, যোগ্য ও উচ্চ বংশীয় ছেলে আলহাজ¦ খাজা নাজিবুল্লাহ চৌধুরী। দূ:সময়ে দলের হাল ধরতে গিয়ে তিনি একাধিকবার জেলেও গিয়েছিলো। আমরা তো ভেবেছিলাম দল এবার ওনাকে মনোনয়ন দিবে। সেজন্য আমরা দল মত নির্বিশেষে শিক্ষিত মার্জিত ক্লিন ইমেজের জনপ্রিয় প্রার্থী নাজিবুল্লাহ চৌধুরী’র সাথে কাজ করেছি এলাকার উন্নয়নের জন্য। তবে দলের এমন ভূল সিদ্ধান্তে এই আসনটি নি:সন্দেহে বিএনপির হাতছাড়া হবে।



















